নিউজ টপ লাইন

পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
বিগত ২৮/০৭/২০১৭ ইং তারিখ দিবাগত গভীর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের সুহিলপুর গ্রামের ইয়াকুব মিয়ার পুত্র রোকন মিয়া (৪৬) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের মাইজখার গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র মোঃ ইউসুফ মিয়া (২৮) পুলিশের সাথে ঢাকাÑসিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলাধীন ইসলামাবাদ (গোগদ) এবং কুমিল্লাÑসিলেট মহাসড়কের কসবা উপজেলার কালামুড়িয়া এলাকায় সংগঠিত পৃথক দু’টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবী তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া আন্তঃজেলা সিএনজি ছিনাতই চক্রের সদস্য ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনা স্থান দু’টির মধ্যে এক স্থান থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হলেও আরেক স্থান হতে কোন কিছু উদ্ধার হয়নি। এ বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সংশয়ের ইয়ত্তা নেই এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উঠে আসে ভিন্ন মতামত। প্রকাশ পায় বহু ধরণের আলোচনা ও সমালোচনা। সরাইল থানার পরিদর্শক (ওসি) রূপক কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২৮/০৭/২০১৭ইং তারিখ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকাÑসিলেট মহাসড়কের  ইসলামাবাদ (গোগদ) এলাকায় অভিযানে যায় সরাইল থানা পুলিশের একটি দল। এসময় রোকন ও তার সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালাতে থাকে। এ সময় আতœরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে রোকন মিয়া মারা যায়। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, কুমিল্লাÑসিলেট মহাসড়কের কসবা উপজেলার কালামুড়িয়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া নিহত হয়েছে। তবে ইউসুফ মিয়ার বিরুদ্ধে কয়টি মাদক মামলা রয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিগত ২৮/০৭/২০১৭ইং রাতে মাইজখার গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ইউসুফকে ৯০ কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার করে। পরে তাকে নিয়ে গভীর রাতে মাদক উদ্ধার অভিযানে বের হয় পুলিশ। রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ তাকে নিয়ে কুমিল্লাÑসিলেট মহাসড়কের কালামুড়িয়া নামকস্থানে পৌঁছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউসুফের সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। পরে পুলিশও পাল্টা হামলা করে। এতে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে ইউসুফ নিহত হয়। এ সময় কসবা থানার তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মনির হোসেন, কনস্টেবল ইব্রাহীম এবং নজরুল ইসলাম। কসবা থানার পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১৩৫ কেজি গাঁজা, একটি পাইপ গান এবং দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। উল্লেখিত দু’টি ঘটনা বিষয়েই থানায় মামলা হয়েছে।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top