নিউজ টপ লাইন

বিসমিল্লাহ গলদ

আমরা আমাদের সন্তানদের  কত্টা ভালাবাসি,সৎ ,নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল করতে চাই- এটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জন্মনিবন্ধনের ত্রুটির মাধ্যম দিয়েই শুরু হয়। শিশু জন্মের ৪৫ দিন পূর্ণ হলেই সরকারী ব্যবস্থ্পানার মাধ্যমে টিকা দান কার্যক্রম শুরু হয়, যা একটি কার্ডের (শিশু কার্ড) চার সংখ্যার রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ  করা হয়। উক্ত কার্ডের প্রত্যেকটি শিশুর পকৃত বয়স উল্লেখ থাকে। কিন্তু এই শিশু কার্ডটিতে চারসংখ্যার নিবন্ধন নাম্বারের স্থলে যদি জন্মনিবন্ধনের ১৭সংখ্যার নিবন্ধনটি চালু করা যায় তবে শিশুর পকৃত বয়স নির্ণয় সম্ভব হতো। শিশু কার্ড ও জন্ম সনদের নিবন্ধন নম্বর সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ার কারণে কিছুটা হলেও অনেক শিশু অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে সকল অভিবাবকবৃন্দ অধিকমাত্রায় সচেতন ও প্রভাবশালী তারা নিজেদের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রকৃত বয়স লুকিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা মাফিক জন্ম সনদ ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন থেকে সংগ্রহ করছেন। ফলে একই শ্রেণীতে ভিন্ন ভিন্ন বয়সের বাচ্চারা লেখাপড়া করতে বাধ্য হচ্ছে বয়সের অসামঞ্জস্যতা দূর করা না গেলে পকৃত বয়সের শিশুদের মেধাবিকাশ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। উক্ত সমস্যা সমাধানে শিশু কার্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি কাগজের পাশাপাশি ডিজিটালাইজ্ড হওয়া অতিব জরুরী। জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়াটির মত শিশু কার্ড প্রকল্পটি অতিব গুরুত্বের সাথে জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে বলে সচেতন অভিভাবকেরা সরকারের স-ুদৃষ্টি কামনা করছেন যার মাধ্যমে প্রকৃত বয়সের শিশুরা তাদের মেধাবিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ পেতে পারেন।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top