নিউজ টপ লাইন

গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে সরকারি বাসা ভাড়ার টাকা নিয়ে তাল বাহানা

রেজাউর রহমান মিন্টু (গোপালগঞ্জ) ঃ গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এরিনা মান্নান ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগে বদলী হয়ে আসেন। এখানে সে চাকুরীতে যোগদান করার পর থেকে সরকারি বাস ভবনে না থেকে তিনি গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ডাক বাংলায় একটি রুমে বসবাস করছেন। সরকারি আইনে আছে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নামে যদি কোন সরকারি বাসভবন নিদ্ধারিত থাকে, তাহলে উক্ত সরকারি কর্মকর্তার বাধ্যতা মূলক এই সরকারি বাসভবনে যতদিন থাকবেন, চাকুরী করবেন ততোদিন তার সরকারি বাসভবনে বসবাস করতে হবে। কিন্তু উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এরিনা মান্নান তার বেতন থেকে সরকারি বাস ভবনের ভাড়ার টাকা কর্তন করবে না, টাকা খরচের ভয়ে। অভিযোগ সূত্রে যানাযায়, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একটি দর সাপেক্ষের মাধ্যমে একটি ভুয়া দরখাস্ত লিখে চালাকী করে গোপালগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর উক্ত দপ্তরে জমা দেন। এখানে দেখানো হয়েছে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বাস ভবন নিরাপদ না। বাসভবনে বসবাস করার জন্য উপযোগি না। এই ভ’য়া দরখাস্ত লিখে তিনি আইনের ফাক পোকড় বুঝে উক্ত সরকারি বাসভবনে না থাকার জন্য চালাকির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বছরের পর বছর সরকারকে ফাকি দিয়ে আসছে বলে জানাযায়। সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নামে যে সরকারি বাস ভবন নিদ্ধারিত করা থাকবে সে বাসভবনে কেউ না থাকলেও সরকারি বাসভবনের ভাড়া তার মূল বেতন থেকে কর্তন করা হবে। কিন্তু ঔ কর্মকর্তা তা না করে সুভংকরের ফাকি দিয়ে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বছরের পর বছর ধরে ফাকি দিয়ে আসছে বলে তার বিরুদ্ধে বহুদিনের অভিযোগ রয়েছে। অফিস সূত্রে জনাযায়, গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এরিনা মান্নান সরকারি বাসভবনে না থেকে তিনি সরকারি পরিদর্শন বাংলয় এর একটি রুমে বসবাস করছেন। সরকারি নিয়মে এই পরিদর্শন বাংল মেহমানদের জন্য নির্ধারিত এবং এখানে তিন থেকে সাত দিনের বেশি কোন সরকারি কর্মকর্তা অবস্থান করতে পারবেন না। তবে সরকারের অনুমতি ক্রমে সেনা বাহিনী, পুলিশ বাহিনীসহ প্রশাসনের সৈনিকরা সাত দিনের অধিক থাকতে পারবে। এছাড়া সরকারি নিয়মে আছে এই পরিদর্শন বাংলয় কেউ থাকলেও ভাড়া দিয়ে থাকতে হবে। কারন বাংলাদেশ সরকার লাখ লাখ টাকা খরচ করে স্ব-স্ব বিভাগে সরকারি বাংল নির্মান করেছে। যা থেকে রাজস্ব আয় আসার কথা। কিন্তু গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এরিনা মান্নান এক প্রকার সরকারি নিয়ম নিতীর তোয়াক্কা না করে অবৈধ ভাবে  সরকারি বাসভবনে না থেকে সরকারি পরিদর্শন বাংলয় গত ২০১৪ সাল থেকে বসবাস করছেন। যা এই পর্যন্ত লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এব্যাপারে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, সরকারি বাস ভবনে যদি থাকার উপযোগি না থাকে, তা হলে সে থাকবে কি করে। তিনি আরো বলেন, যদি কোন সরকারের কোন কর্মকর্তার নামে সরকারি বাসা ভাড়া নিদ্ধারন থাকে তা হলে সে থাকুক, আর না থাকুক সরকারি বাসা ভাড়া তার বেতন থেকে করর্তন করতে হবে। কিন্তু এরিনা মান্নানের বিষয়টা ভিন্ন। কারন ওনার এখানে কোন পরিবার থাকে না। তাছাড়া এত বড় একটা বাসাই একা একটা মহিলা থাকবে কি করে, বলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top